02
Mar

রাজকন্যার অন্দরমহল ………………

টিনেজার মেয়েদের অন্য রকম একটা ব্যাক্তিত্ব থাকে।যা সব থেকে আলাদা এবং চারপাশের পরিবেশ থেকে ভিন্ন। তাই তাদের পারিপার্শ্বিক এবং আনুসাঙ্গিক দিক বিবেচনা করে তাদের রুম ডিজাইন করতে হয়। মূলত এমন একটা রুম তাদের প্রয়োজন যেখানে সে তার দিনের একটা বিশাল সময় নিজের মতো করে কাটাতে পারবে, আবার তার প্রিয় বোন কিংবা খুব কাছের বন্ধু বান্ধবীদের সাথেও আনন্দ করতে পারবে। তাই তার রুমটি হওয়া চাই একদম তার ব্যাক্তিত্ব আর ব্যবহার উপযোগী।
bedroom-ideas-for-girls-aআসলে টিনেজার মেয়েদের রুমটি একই সাথে কাজের জন্য যথাযথ উপযোগী আবার খুব আকর্ষণীয় আর আরামদায়ক হওয়াটা জরুরী।তাই প্রয়োজন প্রচুর পরিমান স্টোরেজ যা বাড়তি এবং অনাকাঙ্ক্ষিতও জিনিসপত্রকে গুছিয়ে রাখা সম্ভব, আর এলোমেলো হবার সম্ভাবনাও কম।বুকশেলফটাও খুব প্রয়োজনীয়, আর বুকশেলফটা যদি হয় আকর্ষণীয় আর বৈচিত্র্যময় হয় তবে তো আর কথাই নেই।
মূল কথা হল টিনেজার মেয়েদের রুম হতে হবে স্টাইলিশ আর মজাদার যেনও তারা তাদের প্রয়োজনীয়ও সকল কাজ এই রুমটার ভেতর সেরে ফেলতে পারে।আর রুমের আসবাব হতে হবে অবশ্যই রুমের আয়তনের উপর নির্ভর করে।তবে এ্টা ঠিক যে একটু আকারে ছোট আর দেখতে রঙিন আকর্ষণীয় আসবাবই বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয় টিনেজার মেয়েদের রুমে।আর রুমের লাইটিং হতে হবে অবশ্যই তার মনের মত। কখন হালকা উষ্ণ আলো, আবার মৃদু নীল আলো আবার প্রয়োজনীয়ও ভারি উজ্জ্বল আলো সবই কিন্তু পরিমিতও উপায়ে ব্যাবহার করে রুমটাকে আলোকিত করা যায়। আবার পড়ার টেবিলের ব্যাপারটা একদমই ভিন্ন। এখানে চোখের সাথে সামঞ্জস্য হয় এমন আলোই ব্যাবহার করা বাঞ্ছনীয়। কারন দিনের অনেকটা সময় টিনেজার মেয়েদের কাজ করতে হয় এই এই পড়ার টেবিলেই পড়ালেখা করে, অথবা কম্পিউটার স্ক্রিনে তাকিয়ে।
Orange-girls-room-designআরেকটা ব্যাপার ভুলে গেলে চলবেনা, আর তা হলও মেয়েদের প্রাত্যহিক ব্যাবহারিক জিনিসপত্র, আনুসাঙ্গিক প্রসাধনী আর প্রয়োজনীয়ও সামগ্রী। এই সমস্ত উপকরণ যথাযথ ভাবে রাখা এবং উপযুক্ত পরিবেশে গুছিয়ে রাখার জন্য কেবিনেট না হয় স্টোরেজের ব্যাবস্থা করতে হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে যে, কন্যা সন্তান প্রতিটি পরিবারেই আশীর্বাদস্বরূপ, তাকে অনুভুতি দিতে হবে তার পরিবারে সে একজন রাজকন্যা। তার রুমটি কিন্তু এই অনুভূতি তাকে দিতেই পারে।
যদি রুমটি বড় হয় তবে, দুই পার্টের খোলা জানালায় পর্দা দেয়া হলে দিনের আলো রুমটাকে অনেক বেশি বড় মনে হবে, আর রাতের বেলাও খোলামেলা ভাব থাকবে।একবার ভেবে দেখুন, আপনার কন্যা সন্তান কিন্তু সবার প্রথম তার পরিবারের কাছ থেকেই সম্মান শ্রদ্ধা আর স্বাধীনতার মূল্যবোধ শিখে। তার মানসিক গড়ন তার আত্মসম্মানবোধ তার পরিজন তাকে শেখায়। তাই আপনার সন্তানকে তার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে দিন, সে আপনাকে দিবে নির্মল ভালবাসা হয়ে উঠবে আদর্শ মানুষ হয়ে।